-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
শশা একটি জনপ্রিয় সবজি যা বিশ্বজুড়ে চাষ করা হয়। ক্যানবেরা অঞ্চলেও এর চাষ সম্ভব, এটি তার স্বল্প ক্যালোরি এবং উচ্চ পানির মাত্রার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে পরিচিত।
শশার চাষের জন্য মাটির প্রকৃতি, পর্যাপ্ত সূর্যালোক এবং জলনিষ্কাশন বিবেচনা করা জরুরি। ক্যানবেরা অঞ্চলের জলবায়ু বিবেচনায় নিয়ে চাষের পরিকল্পনা করা উচিত।
ক্যানবেরায় শশার বীজ বপনের আদর্শ সময় হলো বসন্তের শেষ থেকে গ্রীষ্মের শুরু, যখন মাটি উষ্ণ হয়ে উঠে এবং অঙ্কুরণের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা পাওয়া যায়।
শশা উর্বর এবং ভালো জলনিষ্কাশন সম্পন্ন মাটিতে ভালো জন্মে। এটি পর্যাপ্ত সূর্যালোক প্রয়োজন এবং সমতল জমিতে ভালো ফলন দেয়।
শশার সাথে বীনজাতীয় উদ্ভিদ, মারিগোল্ড, এবং পেঁয়াজ ভালো সহজীবন গড়ে তোলে। এগুলি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করে।
শশায় প্রধান কীটপতঙ্গ হলো কুকুম্বার বিটল এবং আফিড। এগুলোর দমনের জন্য প্রাকৃতিক উপায় এবং নির্দিষ্ট কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।
উচ্চমানের বীজ নির্বাচন শশা চাষের প্রথম ধাপ। রোগ প্রতিরোধী এবং ভালো ফলন দেওয়া বীজ বাছাই করা উচিত।
বীজ বপনের আগে জমি ভালোভাবে তৈরি করা প্রয়োজন। জমিতে যথেষ্ট জৈব সার ও মিনারেল মিশ্রণ করা ভালো।
শশার বীজ সরাসরি মাটিতে বা বীজতলায় বপন করা হয়। প্রতি সারিতে উচিত দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি।
নিয়মিত সেচ দিয়ে মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং মাটি আলগা রাখা প্রয়োজন।
শশার জন্য নাইট্রোজেন, ফসফরাস, এবং পটাশ সমৃদ্ধ সার ব্যবহার ফলন বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করা উচিত যাতে শশা ভালোভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
শশায় পাউডারি মিলডিউ এবং কুকুম্বার মোজাইক ভাইরাসের মতো রোগ দেখা দিতে পারে। এগুলো দমনের জন্য উপযুক্ত ফাংগিসাইড এবং প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহার করা উচিত।
ফল পরিপক্ক হলে শশা সংগ্রহ করা হয়। ফলের আকার, রঙ এবং কঠিনতা পরিপক্কতার লক্ষণ।
শশা হাইড্রেশনে সাহায্য করে এবং এর উচ্চ পানির মাত্রা ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী। এটি কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ভিটামিন কে, সি এবং পটাশিয়ামের উপস্থিতি হার্ট স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক ইমিউন সিস্টেম উন্নতি সাহায্য করে।