Green chilies

-

Card Image
Image
chili
Banner Image
Image
কালো শয়তান কাঁচা মরিচ - Black Devil
Section 1 - Before you start

-

Section 2 - Planting Date/Time

-

Section 3 - Ideal Condition

-

Section 5 - Accompanying Plants

-

Section 6 - Pests

-

Section 7 - Seed Selection

-

Section 8 - Land Preparation

-

Section 9 - Planting Seeds

-

Section 10 - Looking After Seeds

-

Section 11 - Fertilizer Management

-

Section 12 - Weed Management

-

Section 14 - Common Diseases & Cures

-

Section 15 - Harvesting

-

Section 16 - Health Benefits

-

Title - নাম
কাঁচা মরিচ
About BD

কাঁচা মরিচ ছাড়া অনেক বাঙালির খাওয়াই হয় না। ভিটামিনের এক চমৎকার উৎস হচ্ছে কাচা মরিচ, এর রয়েছে নানা পুষ্টিগুণও। আধা কাপ পরিমাণ কুচি কাঁচা মরিচে প্রায় ৮০০ ইউনিটের বেশি ভিটামিন এ রয়েছে। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তির জন্য ভালো, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ঠিক একই পরিমান কাঁচা মরিচ কুচিতে পাবেন প্রায় ১৮২ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, যা একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ভিটামিন সির চাহিদার সমান। তার মানে আধা কাপ কাঁচা মরিচ সালাদে বা অন্যান্য তরকারিতে ছড়িয়ে দিলে সেই দিনের জন্য অন্য কোনো ভিটামিন সি যুক্ত খাবার দরকারই পড়বে না।

সুতরাং বেশী করে কাঁচা মরিচ খান

দৃষ্টিশক্তির বাড়ান।

Section 1 - ভূমিকা

মরিচ নিত্য ব্যবহৃত মশলা যা তরকারিকে সুস্বাদু করতে বিরাট ভুমিকা রাখে। ক্যানবেরাতে কাঁচা মরিচের বাজার মূল্য বাংলাদেশের মতই কখনও কখনও আকাশ মুখি থাকে। তা ছাড়া সাধারনত সুপার মার্কেট গুলোতে পাওয়াও যায় না । ভারতীয় কিংবা চাইনিজ দোকান গুলেতে যাও মাঝে মধ্যে পাওয়া যায়, পরিমান আর মূল্য যেনো ছোটবেলায় দেখা স্বর্ণকারের দাঁড়িপাল্লা মাপা তোলা কিংবা আউন্স এর মতই।

Section 2 - বীজ বপনের সময়কাল

ক্যানবেরায় কাঁচা মরিচের বীজ বপনের সেরা সময় হলো বসন্তের মাঝামাঝি থেকে গ্রীষ্মের শুরু, যখন মাটি উষ্ণ এবং অঙ্কুরণের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা পায়।

Section 3 - অনুকুল পরিবেশ

মরিচ চাষের জন্য এমন জমি নির্বাচন করতে হবে যে জমিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকে না ।জমিতে পানি নিষ্কাশনের  সু-ব্যবস্থা থাকতে হবে। যে স্থানে প্রচুর রোদ ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা আছে মরিচ চাষের জন্য সেই স্থান নির্বাচন করতে হবে। যে মাটিতে বেশি অম্ল আছে সে মাটি ছাড়া সব ধরনের মাটিতে মরিচ জন্মে। সুতরাং চাষাবাদের আগে মাটির পিস এইচ টেষ্ট করে নিতে পারেন । 

মরিচ চাষের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা হলো ৩৫ থেকে ৪৫ ডিঃসেঃ। সে ক্ষেত্রে ক্যানবেরার সামার মরিচ চাষের জন্য সোনায় সোহাগা ।

Section 4 - প্রজাতী

সাধারণত মরিচকে দু ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন- ঝাল মরিচ ও মিষ্টি মরিচ। ক্যাপসিকাম কে কখনও কখনও এরা মরিচ বলেই মনে করে । কিছু কিছু ক্যাপসিকাম আকারে অনেকটা মরিচের মতই দেখতে তবে বেশ বড় । যাকে সাদারা মরিচ বলে আনন্দ পায় আর আমাদের কাছে মাকাল ফলের মতই -“উপর দিয়া ফিটফাট, ভিতর দিয়া সদরঘাট”। ঝালবিহীন বিশাল দেহী মরিচ।
 

তবে Bunnings এ কিছু ঝাল মরিচের চারা পারেন । যেমন নাগা মরিচ, থাই মরিচ, বোম্বাই মরিচও পাবেন। পাবেন হেলাপিনও।কালো একটা মরিচ আছে যার নাম Black Devil , চরম ঝাল। এই শহরে কারো কারো সংগ্রহে আছে । মরিচটা প্রথমে থাকে সবুজ, তারপরে কালো রং ধারন করে , পাকলে হয় লাল।

Section 5 - সহায়ক উদ্ভিদ

মনে রাখবেন সব পোকা মাকড়ই কিন্তু গাছের জন্য খারাপ না । বরঞ্চ বেশ কিছু পোকা মাকড় রয়েছে যা গাছের জন্য খুবই উপকারী । সুতরাং সব সময়ই কিছু ফুলের গাছ রাখবেন , এতে পরাগায়নে সুবিধা হবে ।

Section 6 - কীটপতঙ্গ

সাধারণত, মাটি ও বীজের মধ্যে থাকা বিভিন্ন রকমের জীবাণু মরিচের রোগগুলোর জন্য দায়ী। রোগগুলোর মধ্যে ড্যাম্পিং অফ, গোড়া পচা, মূল পচা রোগ অন্যতম। এ রোগগুলো সচারাচর চারা অবস্থাতেই হয়ে থাকে। উপরোক্ত রোগগুলো ছত্রাকের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। বীজ বপণের পরপরই বীজ পচে যেতে পারে অথবা চারা গজানোর পর চারা গাছ ফ্যাকাশে, দুর্বল ও  লিকলিকে হয়ে যায়। ছোট অবস্থায় চারার গোড়ায় পানিভেজা দাগ পড়ে ও চারা ঢলে পড়ে এবং মারা যায়। এ রোগ থেকে রক্ষার উপায় হলো: মরিচের বীজ শোধন করে নেওয়া। 

সুতরাং যারা আগের বছরের সংগ্রহীত বীজ থেকে চারা করতে আগ্রহী , তারা অবশ্যই বীজ শোধন করে নেবেন। 

এখন জানা দরকার - বীজ কি ভাবে শোধন করে? 

বীজ শোধন 

জমিতে বা টবে বীজ বপণের আগে মরিচের বীজ শোধন করে নিতে হয়। বীজ শোধন করে নিলে চারা অবস্থায় রোগ বালাই কম হয়ে থাকে। ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করা যায় । 

Bunnings এ বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকনাশক ( Fungicides) কিনতে পাওয়া যায়।তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে অল্প পরিমান বেকিংসোডা মিশ্রিত পানিতে বীজ  ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ১০-১৫ মিনিট ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে শুকিয়ে নিতে হবে। 

মরিচ গাছে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকের আক্রমন হয় । সে ক্ষেত্রে নিয়মিত ঘরে তৈরি জৈব বালাইনাশক - পেয়াজ এবং রসুনের খোশা ভেজানো পানি, গাছের গোড়ায় রোজমেরির ঢাল ছড়িয়ে দেয়া , অল্প পরিমান লিকুইড সাবান মিশ্রিত পানি, বেকিংসোডা মিশ্রিত পানি নিয়মিত স্প্রে করুন।

Section 7 - বীজ নির্বাচন

উন্নত জাতের বীজ নির্বাচন ভালো ফলন এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য জরুরি। রোগ প্রতিরোধী ও তাপমাত্রা সহিষ্ণু বীজ বাছাই করা ভালো।

Section 8 - জমি তৈরি

বীজ বপনের আগে জমিকে ভালোভাবে তৈরি করা উচিত। মাটিতে জৈব সার এবং উপযুক্ত মিনারেল মিশ্রণ করা ভালো।

Section 9 - বীজ বপন

যদি বীজ থেকে চারা উৎপাদন করতে চান তাহলে ১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখার পর বীজ থেকে পানি ঝরিয়ে হালকা ছায়াতে শুকিয়ে ঝরঝরা করে ছোট ছোট টবে রোপন করুন । 

বীজ বপণের উপযুক্ত সময় 

এ ক্ষেত্রে আমরা “তিন ধাপ পদ্ধতি” অনুসরন করবো । 

ধাপঃ ১ 

বীজ বপন - আগস্টের শেষে ( ঘরের মধ্যে ) 

ধাপঃ ২ 

পরিনত চাঁড়া বাইরে নিরাপদ জাগায় রাখতে হবে ( পরিবেশের সাথে সহনশীল হয়ে উঠবে) 

ধাপঃ ৩ 

মাটির তাপমাত্রা উষ্ণ হলে তারপরই কেবল লাগানোর চিন্তা করতে হবে। ( ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অথবা মাসের মাঝামাঝি ) 

এখানে যে বিষয়টার উপর গুরুত্ব দিতে হবে তা হচ্ছে - বীজ থেকে সতেজ চাঁড়ার উৎপাদনের সাফ্যলের উপরই কিন্তু ফলনের সাফল্য নির্ভর করে ।

Section 10 - বীজতলা পরিচর্যা

চারা যখন ১০ সে: মি: লম্বা হয় তখন মুল জমিতে রোপণের উপযোগী হয়। মরিচ ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কারের পরে ভালো করে মাটি প্রস্তুত করে চারা রোপণ করতে হয়। 

আপনারা যারা টবে করতে চান - ভালো করে জৈব সার এবং পটিমিক্স মিশিয়ে টবের মাটিটা প্রস্তুত করে নেবেন। মরিচের চারা বিকালে লাগানো উচিৎ এবং ৩-৪ দিন সকাল-সন্ধ্যা পানি দিতে হবে।

লক্ষ্য রাখবেন - গাছ ছোট থাকতে পানি দেবেন গাছের গোড়াতে। পাতাতে পানি দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। নিয়মিত পানি দিয়ে মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখা প্রয়োজন। 

 

Section 11 - সার ব্যবস্থাপনা

মরিচ চাষে সার প্রয়োগের সময়কে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

একটা চারা লাগানোর পূর্বের সময় এবং অন্যটা চারা লাগানোর পরে। 

এ দুটি সময়ের করণীয় 

মরিচের চারা লাগানোর ২০-২৫ দিন পূর্বে জৈব সাব গোরব কিম্বা ভেড়া বা ছাগলের সার মাটির সাথে মিশিয়ে নেবেন।

যারা টবে লাগাবেন - টবের মাটিটা এভাবেই প্রস্তুত করে নেবেন। 

চারা রোপনের পর নিয়মিত seasol মিশ্রিত পানি প্রদান করুন । চারা মাটিতে কিংবা টবে লাগানোর পর ভালো পরিমান seasol মিশ্রিত পানি দেবেন এতে গাছের early shock টা কাটায়ে উঠতে সহায়তা করে । 

Section 12 - আগাছা ব্যবস্থাপনা

নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করা উচিত যাতে কাঁচা মরিচ ভালোভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

Section 14 - প্রচলিত রোগবালাই এবং দমন

কাঁচা মরিচে পাউডারি মিলডিউ, লিফ স্পট এবং রুট রটের মতো রোগ দেখা দিতে পারে। উপযুক্ত ফাংগিসাইড এবং প্রাকৃতিক উপায়ে এগুলো দমন করা উচিত।

Section 15 - ফসল সংগ্রহ

মরিচ গাছে ফুল আসার পর ১৫-২০ দিনের মধ্যে কাঁচা মরিচ তোলা যায়। তবে মরিচের রং লাল হলে সেটিকে তুলে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়।

Section 16 - উপকারিতা

কাঁচা মরিচ ভিটামিন সি, এ, এবং খনিজ পদার্থ যেমন আয়রন এবং পটাশিয়ামে সমৃদ্ধ। এটি ইমিউন সিস্টেম বৃদ্ধি, হার্ট স্বাস্থ্য উন্নতি, এবং ত্বকের সুস্থতা সাহায্য করে। তার তীব্রতা হজমে সহায়ক এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে।

Section 20 - বীজ সংরক্ষন

বীজ উৎপাদন

ক্যানবেরার চাষীগণ খুব সহজেই কিন্তু মরিচ বীজ উৎপাদন করতে পারেন।
 

মরিচ যখন পুষ্ট, পরিপক্ক, এবং উজ্জ্বল লাল রংয়ের হয় তখন বীজ সংগ্রহ  করতে হবে। একটি মরিচ থেকে ৭০ থেকে ৭৫ টি বীজপাওয়া যায়।
 

বীজ সংরক্ষণ

ফসল তুলার পরে, মরিচ চিরে বীজ বের করতে হবে। বীজ শুকানোর পর ঠান্ডা করে বায়ু নিরদ পাত্রে বীজ সংরক্ষণ করতে হবে।যেমন প্লাস্টিকের কৌটা অথবা কাচের পাত্র ইত্যাদি।

Tag line
ঝাঁজের ছোঁয়ায়, স্বাদের জাদুকর
Tag line BD
ঝাঁজের ছোঁয়ায়, স্বাদের জাদুকর
Plant timeframe
Nov
Dec
Category
Indoor
Category BD
ইনডোর