Capcicum

জনপ্রিয় সবজী 

Card Image
Image
#
Banner Image
Image
#
Section 1 - Before you start

পুষ্টিমানের দিক থেকে ক্যাপসিকাম একটি অত্যন্ত মূল্যবান সবজি। প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ’সি’ রয়েছে । বাসার পারগোলা কিংবা ডেকে টবে চাষ করে সহজেই পরিবারের ভিটামিন ’সি“ চাহিদা মেটাতে পারেন ।

Section 2 - Planting Date/Time

-

Section 3 - Ideal Condition

-

Section 7 - Seed Selection

-

Section 8 - Land Preparation

-

Section 9 - Planting Seeds

-

Title - নাম
ক্যাপসিকাম
About BD

পুষ্টিমানের দিক থেকে ক্যাপসিকাম একটি অত্যন্ত মূল্যবান সবজি। প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ’সি’ রয়েছে । বাসার পারগোলা কিংবা ডেকে টবে চাষ করে সহজেই পরিবারের ভিটামিন ’সি“ চাহিদা মেটাতে পারেন ।

Section 1 - ভূমিকা

ক্যাপসিকাম দুনিয়া ব্যাপি জনপ্রিয় একটা সবজী । আমাদের কমিউনিটতে ধিরে ধিরে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দেশেও কিন্তু এর  জনপ্রিয়তা এখন বেশ উর্ধ মুখি । বিশেষ করে বড় বড় শহরের আশেপাশে সীমিত পরিসরে এর চাষাবাদ হচ্ছে। প্রথম যখন ক্যাপসিকাম দেখি - ভেবেছিলাম সম্ভবত বোম্বাই মরিচের বড় ভাই । দেশে কিন্তু মিষ্টি মরিচ নামেও এর পরিচিতি রয়েছে।

Section 2 - বীজ বপনের সময়কাল

ক্যানবেরাতে ক্যাপসিকাম চাষের উপযুক্ত সময় হচ্ছে নভেম্বর - ডিসেম্বর মাস। তবে আগাম ফলন পেতে চাইলে শীতের শেষের দিকে ঘরের মধ্যে চারা তৈরি করে নভেম্বরের মাঝামাঝি মাটিতে লাগাতে পারেন । এর ফলে জানুয়ারীর প্রথম কিংবা মাঝামাঝি ফলন আশা করা যায়। 

Section 3 - অনুকুল পরিবেশ

ক্যাপসিকাম মরিচের মত গরম ও লম্বা সামারের দিন পছন্দ করে। সামারে সারা দিন রোদ থাকে এমন জাগায় লাগালে ভালো ফলন আশা করা যায়। তবে মনে রাখবেন, ক্যাপসিকাম কিন্তু অতিরিক্ত গরম কিংবা বৃষ্টি  কোনটাই পছন্দ করে না । সে ক্ষেত্র এমন আবহাওয়ার সম্ভবনা থাকলে বিশেষ নজর রাখতে হবে। টবে চাষ করলে প্রয়োজন বোধে জায়গা পরিবর্তনের সুযোগ থাকে। 

Section 5 - সহায়ক উদ্ভিদ

বাগানে সব সময়ই কিছু ফুলের গাছ রাখুন, এতে পরাগায়নের সুবিধা হয়। 

Section 7 - বীজ নির্বাচন

বীজ কোথায় পাবেন 


Bunnings এ নানা জাতের বীজ সব সময়ই পাওয়া যায়। মৌসূমে Aldi তেও বিক্রি করে। মাঝে মধ্যে Reject Shop এ কিছুটা স্বল্প মূল্যে পাওয়া যায়। তবে বীজ ভালো না হলে চারা গজানোর হার খুবই হতাশা জনক হয়। সে ক্ষেত্রে বাগান করার আগ্রহই হারানোর সম্ভবনা থাকে। 

Bunnings এ ছোট বড় দুই ধরনের চারাই পাওয়া যায় । চারা এরটু বড় এবং পরিনত হলে পোকামাকর এবং শামুকের আক্রমনের হাত থেকে রক্ষা পাবার সম্ভবনা বেশী থাকে । চারা লাগানোর পর বৃষ্টি হলে শামুকের আক্রমন বেশী হয় । এই সময় গাছের চারি দিকে  snail killer ছরিয়ে দিতে হবে । 

আরও একটা সহজ উপায় বীজ সংগ্রহ করা যেতে পারে । বাজার থেকে কেনা পরিনত ক্যাপসিকাম থেকে অনায়াসেই বীজ সংগ্রহ করা যায়। কভিড পরবর্তী সময় অনান্য জিনিস এর সাথে সাথে বাগানের উপকরনের দামও বেশ উর্ধমুখি । সে ক্ষেত্রে সবজী হিসাবে কেনা ক্যাপসিকামের ফেলে দেয়া বীজ থেকে অনায়াসেই ৮/১০ টা চারা তৈরি করা যায় । 

 

Section 8 - জমি তৈরি

যাঁদের Backyard এ পর্যাপ্ত জায়গা আছে তারা মাটিতেই চারা লাগাতে পারেন। চারা লাগানোর পূর্বে veggie patch এর মাটি জৈব সার সহযোগে ভালো করে তৈরি করে নিন। প্রয়োজন বোধে ভালো করে নিরানি দিয়ে আগাছা পরিস্কার করে নিন। খেয়াল রাখবেন মাটি যেন ঝুরা-ঝুরা হয়। এতে গাছের শিকর সহজেই বিস্তার লাভ করে। 

যারা টবে লাগাতে চান , জৈব সার এবং পটিমিক্স সহযোগে টবের মাটি তৈরি করুন। খেয়াল রাখবেন টবের নিচে যেন ফুটো থাকে । অন্যথায় পানি জমে গাছ মরে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে ।

Section 9 - বীজ বপন

বাজার থেকে কেনা কিংবা ক্যাপসিকাম থেকে সংগ্রহ করা বীজ থেকে চারা উৎপাদনের জন্য আমরা নিচের “তিন ধাপ” পদ্ধতি অনুসরন করবোঃ 

ধাপঃ ১

বীজ বপন - আগস্টের শেষে ( ঘরের মধ্যে )
 

ধাপঃ ২

পরিনত চাঁড়া বাইরে নিরাপদ জাগায় রাখতে হবে

( পরিবেশের সাথে সহনশীল হয়ে উঠবে)

ধাপঃ ৩

মাটির তাপমাত্রা উষ্ণ হলে তারপরই কেবল লাগানোর চিন্তা করতে হবে। ( ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অথবা মাঝামাঝি )
 

যদি টয়লেট রোলের ফেলে দেয়া ভিতরের শক্ত রোল ব্যবহার করে চারা তৈরি করেন সে ক্ষেত্রে রোল সহই মাটিতে রোপন করে দিলেই হবে। এটা কিন্তু  পরিবেশ সহায়ক একটা পদ্ধতি।

এখানে যে বিষয়টার উপর গুরুত্ব দিতে হবে তা হচ্ছে - বীজ থেকে সতেজ চাঁড়ার উৎপাদনের সাফ্যলের উপরই কিন্তু ফলনের সাফল্য নির্ভর করে। 
 

এই পদ্ধতির সুবিধা কি

ডিসেম্বরে মাটির উষ্ণতা গাছের উপযুক্ত হওয়ার সাথে সাথেই পরিনত চাঁড়া লাগানোর ফলে আগাম ও অধিক ফলন আশা করা যায় ।অন্যদিকে ডিসেম্বরে যদি বীজ  মাটিতে লাগানো হয় সেই গাছ পরিনত হয়ে ফলন শুরু হতেই হতেই রাতে কিছুটা শীতের প্রকপ শুরু হয়ে যায় , সে ক্ষেত্রে ফলনও কমে যাবে । ডিসেম্বরে পরিনত চারা লাগালে, আশা করা যায় জানুয়ারীর শেষের দিকে ফলন আসা শুরু করবে । অন্যদিকে ডিসেম্বরে মাটিতে বীজ লাগালে সেই গাছ পরিনত হতে হতে ফেব্রুয়ারি ।
 

সুতরাং নিংসন্দেহে এই পদ্ধতির সাফল্যের হার হবে অধিক ।

চাঁড়ার পরিচর্যা

চাঁড়া মাটিতে লাগানোর পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এ সময়টা চাঁড়া  সহজেই পোকামাকরের আক্রমনের স্বীকার হতে পারে ।এই সময়টাতে যদি চাঁড়ার প্রথম ডগা snail কিংবা অন্য কোন পোকায় খেয়ে ফেলে তাহলে কিন্তু গাছের বৃদ্ধি থেমে যাবে।নিয়মিত নজর রাখতে হবে। প্রয়োজন বোধে snail killer ছড়িয়ে দিতে হবে।

Section 10 - বীজতলা পরিচর্যা

নিয়মিত পানি দিতে হবে, সপ্তাহে এক দিন seasol মিশ্রিত পানি দিন । 

নিয়মিত আগাছা পরিস্কার করুন । গাছের গোড়া মালচিং করুন । এতে মাটির আর্দ্রতা রক্ষা পায় এবং পানি সাশ্রয় হয়।

Section 11 - সার ব্যবস্থাপনা

জৈব সার ব্যবহার করুন । Sunday Market থেকে গরু , ভেড়া কিংবা ছাগলের জৈব সার সংগ্রহ করতে পারেন ।

Bunnings থেকেও সংগ্রহ করা যায়। মৌসুমে Aldi তে All purpose vegetable & herb fertiliser পাওয়া যায়। 

বাসায় কম্পোস্ট করার ব্যবস্হা করতে পারেন । অনায়াসেই রান্নার উচ্ছিষ্ট দিয়ে জৈব সার পেতে পারেন । 

 

Section 12 - আগাছা ব্যবস্থাপনা

নিয়মিত আগাছা তুলে ফেলুন। গাছের গোড়ায় মালচিং এর মাধ্যমে সহজেই আগাছা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন । 

Section 15 - ফসল সংগ্রহ

নিয়মিত ফসল সংগ্রহ করুন । এতে গাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। 

Section 16 - উপকারিতা

পুষ্টিমানের দিক থেকে ক্যাপসিকাম একটি অত্যন্ত মূল্যবান সবজি। প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ’সি’ রয়েছে । বাসার পারগোলা কিংবা ডেকে টবে চাষ করে সহজেই পরিবারের ভিটামিন ’সি“ চাহিদা মেটাতে পারেন ।

Section 17 - জনপ্রিয় রেসিপি

ক্যাপসিকাম মুরগি 

ক্যাপসিকাম বেশী জনপ্রিয় সালাদে তবে মুরগির মাংসের সাথেও ভালো যায় ।

উপাদান

মুরগির রানের মাংস ( ১ কেজি) 

আদা বাটা (১ চা চামচ)

রসুন বাটা  (১ চা চামচ)

পাপরিকা ( পরিমান মত) 

পেয়াজ ( ১টা - একটু বড় করে কাটা)

লবন ( পরিমান মত) 

অরগানো় (পরিমান মত) 

ক্যাপসিকাম  ( ২ টা - বড় বড় করে কাটা) 

মাশরুম ( ৫/৬ টা - একটু মোটা মোটা করে কাটা)

মরিচের গুঁড়া ( পরিমান মত) 

বাটার ( পরিমান মত) 

পার্সলি ( সুন্দর করে কাটা)

সয়া সস

 

প্রনালী 

মুরগির মাংস, আদা বাটা, রসুন বাটা, মরিচের গুঁড়া, পাপরিকা, পরিমান মত লবন সহ ভালো ভাবে মিশিয়ে এক ঘন্টা  ফ্রিজে রেখে দিন । 

একটা  ফ্রাইং প্যান এ পরিমান মত বাটার দিয়ে এক ঘন্টা আগে মেরিনেট করা মাংস ভেজে নিতে হবে। লক্ষ্য রাখবেন ভাজা যেনো খুব বেশী না হয়ে যায়। মাংস হালকা খয়েরি রং ধারন করলে তাতে , আগে থেকে রেডি করা পেয়াজ কাটা , ক্যাপসিকাম কাটা  এবং কাটা মাশরুম দিয়ে দিতে হবে । সব সবজী নরম হয়ে আসলে তাতে, হাফ চা চামচ পরিমান আরগানো যোগ করুন । তারপর সয়া সস দিয়ে ৪/৫ মিনিট রান্না করুন । 

পাতলা করে কাটা পার্সলি ছড়িয়ে দিয়ে প্লেট পরিবেশন করুন । 

 

সবাই ভালো থাকুন ।

 

Tag line
বাহারী রং এর ক্যাপসিকাম, পুষ্টির হাউজ ক্যাপসিকাম
Tag line BD
বাহারী রং এর ক্যাপসিকাম , পুষ্টির হাউজ ক্যাপসিকাম
Plant timeframe
Nov
Dec
Category
Summer
Category BD
গ্রীষ্মকালীন