ক্যানবেরার ঠান্ডা জলবায়ু ডেফোডিল (Daffodil) চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। ক্যানবেরার বসন্তের অন্যতম প্রধান সৌন্দর্য হলো এই হলুদ ফুল।
ক্যানবেরার ঠান্ডা জলবায়ু ডেফোডিল (Daffodil) চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। ক্যানবেরার বসন্তের অন্যতম প্রধান সৌন্দর্য হলো এই হলুদ ফুল। আপনার বাসার সামনের লনে কিংবা কিছু টবে এই শীতে রং এর বাহার ছড়াতে পারে ডেফোডিল।
ক্যানবেরায় সাধারণত মার্চ থেকে মে কিংবা জুন মাসের মধ্যে (শরৎকাল) ডেফোডিলের বাল্ব বা কন্দ রোপণ করা সবচেয়ে ভালো। মাটি যখন ঠান্ডা হতে শুরু করে, তখন এগুলো রোপণ করতে হয়।
শীতকাল ডেফোডিলের জন্য সবচেয়ে অনুকুল পরিবেশ ।
বীজ বা বাল্ব কোথায় পারেনঃ
শরৎ এর শুরুতে আপনার লোকাল Bunnings এ ডেফোডিল এর বাল্ব পাবেন। অনেক সময় মার্চ এপ্রিল এ Aldi তেও পেতে পারেন। তবে Bunnings এ আনেক ধরনের থাকে যা থেকে আপনার পছন্দ মত সংগ্রহ করতে পারেন।
সুনিষ্কাশিত মাটি প্রয়োজন। ক্যানবেরার মাটি সাধারণত এঁটেল ধরনের হতে পারে, তাই বাল্ব রোপণের আগে মাটিতে কম্পোস্ট বা জৈব সার মিশিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিলে ভালো হয়।
রোপণ পদ্ধতি:
- গভীরতা: বাল্বের আকারের প্রায় তিন গুণ গভীরতায় রোপণ করতে হয় (সাধারণত ১০-১৫ সেমি গভীর)।
- দূরত্ব: একটি বাল্ব থেকে অন্য বাল্বের দূরত্ব ১০-১২ সেমি রাখা উচিত।
- দিক: বাল্বের সূক্ষ্ম বা সরু দিকটি উপরের দিকে এবং শিকড়ের দিকটি নিচের দিকে রেখে বসাতে হবে।
ক্যানবেরার ঠান্ডা জলবায়ু ডেফোডিল (Daffodil) চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। ক্যানবেরার বসন্তের অন্যতম প্রধান সৌন্দর্য হলো এই হলুদ ফুল।
ক্যানবেরার ঠান্ডা জলবায়ু ডেফোডিল (Daffodil) চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। ক্যানবেরার বসন্তের অন্যতম প্রধান সৌন্দর্য হলো এই হলুদ ফুল। আপনার বাসার সামনের লনে কিংবা কিছু টবে এই শীতে রং এর বাহার ছড়াতে পারে ডেফোডিল।
ক্যানবেরায় সাধারণত মার্চ থেকে মে কিংবা জুন মাসের মধ্যে (শরৎকাল) ডেফোডিলের বাল্ব বা কন্দ রোপণ করা সবচেয়ে ভালো। মাটি যখন ঠান্ডা হতে শুরু করে, তখন এগুলো রোপণ করতে হয়।
শীতকাল ডেফোডিলের জন্য সবচেয়ে অনুকুল পরিবেশ ।
- সূর্যালোক: এমন জায়গা বাছুন যেখানে প্রচুর রোদ পায়, তবে হালকা ছায়াও থাকতে পারে।
- মাটি: সুনিষ্কাশিত মাটি প্রয়োজন। ক্যানবেরার মাটি সাধারণত এঁটেল ধরনের হতে পারে, তাই বাল্ব রোপণের আগে মাটিতে কম্পোস্ট বা জৈব সার মিশিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিলে ভালো হয়।
ড্যাফোডিল ফুল মূলত নার্সিসাস (Narcissus) গণের অন্তর্গত, যা অ্যামারিলিডাসি (Amaryllidaceae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এর অনেকগুলো প্রজাতি ও উপপ্রজাতি রয়েছে।
সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পরিচিত কিছু প্রজাতি ও ধরন নিচে দেওয়া হলো:
- হলুদ ট্রাম্পেট ড্যাফোডিল (Yellow Trumpet Daffodil): এটিই সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় প্রজাতির ড্যাফোডিল।
- নার্সিসাস সিউডোনাসিসাস (Narcissus pseudonarcissus): এটি বুনো ড্যাফোডিল হিসেবে পরিচিত, যা মূলত ইউরোপের প্রজাতি।
- জনকুইল (Jonquil - Narcissus jonquilla): এই প্রজাতির ড্যাফোডিলে সাধারণত গুচ্ছ আকারে ফুল ফোটে এবং তীব্র সুগন্ধ থাকে।
- পেপারহোয়াইট (Paperwhite - Narcissus papyraceus): এগুলো শীতকালে ফোটা সাদা রঙের সুগন্ধি ড্যাফোডিল।
- পোয়েটস নার্সিসাস (Poet's Narcissus - Narcissus poeticus): সাদা পাপড়ি এবং মাঝখানে ছোট লাল বা কমলা রঙের বৃত্তাকার অংশ থাকে।
ড্যাফোডিল মূলত বসন্তকালে ফোটে এবং এর প্রায় ৫০টিরও বেশি মূল প্রজাতি এবং হাজার হাজার হাইব্রিড বা সংকর প্রজাতি রয়েছে।
ডেফোডিলের জন্য কোন সহায়ক উদ্ভিদের প্রয়োজন হয় না।
বীজ বা বাল্ব কোথায় পারেনঃ
শরৎ এর শুরুতে আপনার লোকাল Bunnings এ ডেফোডিল এর বাল্ব পাবেন। অনেক সময় মার্চ এপ্রিল এ Aldi তেও পেতে পারেন। তবে Bunnings এ আনেক ধরনের থাকে যা থেকে আপনার পছন্দ মত সংগ্রহ করতে পারেন।
সুনিষ্কাশিত মাটি প্রয়োজন। ক্যানবেরার মাটি সাধারণত এঁটেল ধরনের হতে পারে, তাই বাল্ব রোপণের আগে মাটিতে কম্পোস্ট বা জৈব সার মিশিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিলে ভালো হয়।
রোপণ পদ্ধতি:
- গভীরতা: বাল্বের আকারের প্রায় তিন গুণ গভীরতায় রোপণ করতে হয় (সাধারণত ১০-১৫ সেমি গভীর)।
- দূরত্ব: একটি বাল্ব থেকে অন্য বাল্বের দূরত্ব ১০-১২ সেমি রাখা উচিত।
- দিক: বাল্বের সূক্ষ্ম বা সরু দিকটি উপরের দিকে এবং শিকড়ের দিকটি নিচের দিকে রেখে বসাতে হবে।
টব কিংবা গার্ডেন বেড এর আগাছা নিয়মিত পরিস্কার করুন।
বসন্তের শুরুতে ফুল আসার আগে হালকা ভালো মানের সার বা সিউইড যুক্ত পানি নিয়মিত দিলে অধিক ফুল আসার সম্ভবনা থাকে।
ফুল ফোটার পরে: ফুল শুকিয়ে গেলে কাটবেন না। পাতাগুলো নিজে থেকে হলুদ হয়ে মরে না যাওয়া পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। কারণ এই পাতা থেকেই বাল্ব পরবর্তী বছরের জন্য শক্তি সঞ্চয় করে।
গাছ শুকিয়ে গেলে বাল্ব তুলে শুস্ক স্হানে কাগজের ব্যাগে সংরক্ষন করতে পারেন। যদি বাল্ব তুলতে না চান সে ক্ষেত্রে পরের বছর তা থেকেই নতুন গাছ উঠবে ।